ঘামাচি হলে করণীয় | ghamachi hole ki koronio

ঘামাচি হলে করণীয় | ghamachi hole ki koronio


গরমকালে ঘামাচি হওয়া একটি খুব সাধারণ এবং বিরক্তিকর সমস্যা। এটি মূলত অতিরিক্ত ঘামের ফলে ত্বকে র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি আকারে দেখা দেয়। তীব্র চুলকানি, লালচে ফুসকুড়ি এবং অস্বস্তির কারণে ঘামাচি ছোট-বড় সবার মধ্যেই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই জেনে নিন ঘামাচি হলে কী করণীয় এবং কিভাবে আপনি এটি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা করতে পারেন।

ঘামাচির কারণ কী?

ঘামাচি হওয়ার পেছনে কিছু সাধারণ কারণ রয়েছে:

  • অতিরিক্ত ঘাম হওয়া এবং ঘাম জমে থাকা

  • গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া

  • ঘাম না শুকানো অবস্থায় কাপড় পরে থাকা

  • কৃত্রিম ও আঁটসাঁট পোশাক পরা

  • ত্বকে ধুলাবালি জমে থাকা

ঘামাচি প্রতিরোধে ঘরোয়া উপায়

ঘামাচি কমাতে ঘরোয়া কিছু উপায় অত্যন্ত কার্যকর:

  • চন্দন গুঁড়া ও গোলাপজল: ঘামাচির জায়গায় চন্দন গুঁড়া ও গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট লাগান। এটি ঠান্ডা অনুভব দেয় এবং প্রদাহ কমায়।

  • বেসন ও দই: বেসন ও টক দই মিশিয়ে ত্বকে লাগালে ঘামাচি দ্রুত ভালো হয়।

  • তুলসি পাতা: তুলসি পাতার রস ঘামাচির ওপর লাগালে জীবাণু ধ্বংস হয় এবং চুলকানি কমে।

  • আলোভেরা জেল: প্রাকৃতিক আলোভেরা জেল ব্যবহার করলে চুলকানি ও জ্বালাভাব দূর হয়।

কোন ধরণের পোশাক পরবেন?

সঠিক পোশাক পরার মাধ্যমে ঘামাচির সমস্যা অনেকাংশে এড়ানো যায়:

  • ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের সুতি পোশাক পরুন

  • নাইলন বা সিনথেটিক কাপড় এড়িয়ে চলুন

  • ঘাম হলে দ্রুত শুকিয়ে ফেলুন ও পরিষ্কার পোশাক পরুন

শিশুদের ঘামাচি হলে করণীয়

শিশুদের ত্বক অনেক বেশি সংবেদনশীল হওয়ায় তাদের ক্ষেত্রে বিশেষ যত্ন দরকার:

  • শিশুদের হালকা ঠান্ডা পানিতে গোসল করান দিনে অন্তত ২ বার

  • বেবি পাউডার ব্যবহার করুন

  • পরিষ্কার ও নরম সুতি জামা পরান

  • প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

চিকিৎসকের কাছে কখন যাবেন?

ঘামাচি যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, ঘা বা ফোঁড়ার মতো হয়ে যায়, বা ত্বকে ইনফেকশন দেখা দেয় – সেক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।


শেষ কথা: ঘামাচি একটি সাধারণ সমস্যা হলেও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে তা সহজেই প্রতিরোধ ও চিকিৎসা করা সম্ভব। ঘরোয়া উপায়, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতায় আপনি থাকবেন ঘামাচিমুক্ত। আরও স্বাস্থ্য টিপস পেতে নিয়মিত ভিজিট করুন 👉 usdate.blogspot.com



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন